Posts

হুমায়ূন আহমেদ

Image
হুমায়ূন আহমেদ হুমায়ূন আহমেদ (১৩ নভেম্বর, ১৯৪৮ — ১৯ জুলাই, ২০১২) বিংশ শতাব্দীর বাঙালি জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম। তাঁকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী শ্রেষ্ঠ লেখক গণ্য করা হয়। তিনি একাধারে ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার এবং গীতিকার। বলা হয় আধুনিক বাংলা কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যের তিনি পথিকৃৎ। নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসাবেও তিনি সমাদৃত। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা দুই শতাধিক। বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক। তাঁর বেশ কিছু গ্রন্থ পৃথিবীর নানা ভাষায় অনূদিত হয়েছে, বেশ কিছু গ্রন্থ স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচীর অন্তর্ভুক্ত। সত্তর দশকের শেষভাগে থেকে শুরু করে মৃত্যু অবধি তিনি ছিলেন বাংলা গল্প-উপন্যাসের অপ্রতিদ্বন্দ্বী কারিগর। এই কালপর্বে তাঁর গল্প-উপন্যাসের জনপ্রিয়তা ছিল তুলনারহিত। তাঁর সৃষ্ট হিমু ও মিসির আলি চরিত্রগুলি বাংলাদেশের যুবকশ্রেণীকে গভীরভাবে উদ্বেলিত করেছে। তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্রসমূহ পেয়েছে অসামান্য দর্শকপ্রিয়তা। তবে তাঁর টেলিভিশন নাটকগুলি ছিল সর্বাধিক জনপ্রিয়। সংখ্যায় বেশী না হলেও তাঁর রচিত গানগুলিো সবিশেষ জনপ্রিয়তা লাভ করে। তাঁর অন্য...

আবু যর (রা) বলেন : আমি নিবেদন করলাম,ওগো আল্লাহ রসূল আমাকে উপদেশ দিন। তিনি বললেনঃ আমি তোমাকে উপদেশ দিচ্ছি আল্লাহকে ভয় করবার। কারণ এটাই তোমার সমস্ত কাজকে সৌন্দর্য দান করবে। আমি বললাম, আমাকে আরো উপদেশ দিন। তিনি বললেন : কুরআন পাঠ এবং আল্লাহর স্মরণ ও তাঁর বিষয়ে আলোচনাকে নিজের কর্তব্য কাজ বানিয়ে নাও। এতে আকাশে তোমায় নিয়ে আলোচনা হবে আর এটা পৃথিবীতে তোমার পথের আলো হবে। আমি বললাম, আমাকে আরো উপদেশ দিন। তিনি বললেন : বেশী সময় নীরব থাকবে, কম কথা বলবে। এটা শয়তানকে তাড়াবার হাতিয়ার হবে এবং তোমার দীনের কাজের সহায়ক হবে। আমি আরয করলাম, আমাকে আরো আদেশ দিন। তিনি বললেন তিক্ত হলেও সত্য কথা বলবে। আমি নিবেদন করলাম, আমাকে আরো উপদেশ দিন। তিনি বললেন : ইসলামী আন্দোলন ( জিহাদ ) করাকে নিজের কর্তব্য বানিয়ে নাও। কারণ এটাই মুসলমানদের বৈরাগ্য। আমি বললাম, আমাকে আরো কিছু বলুন। তিনি বললেন : দরিদ্র লোকদের ভালোবাসবে এবং তাদের সাথে উঠাবসা করবে। আমি বললাম, আমাকে আরো উপদেশ দিন। তিনি বললেন : তোমার নিজের মধ্যে যেসব দোষ ত্রুটি আছে, সেগুলোর দিকে তাকাও। অন্যের মধ্যে যে দোষ ত্রুটি আছে তা খুজে বেড়ানো এবং বলে বেড়ানো থেকে বিরত থাকো। অতপর তিনি আমার বুকে হাত মেরে বললেন, আবু যর ! কর্মকৌশল ও কর্মপ্রচেষ্টার চাইতে বড় বুদ্ধিমত্তা আর নেই। হারাম ও নিষিদ্ধ কাজ থেকে বিরত থাকার চেয়ে বড় বীরত্ব কিছু নেই। আর সুন্দর ব্যবহারের চাইতে বড় কোনো ভদ্রতা নেই। (ইবনে হিব্বান)

Image

Surah - al Barakah , সূরা - আল বারাকাহ তেলাওয়াত বাংলা অনুবাদ সহ -

Link - https://youtu.be/n_Fn5HY0OCw
Surah - Aal Fatiha _ with bangla translate, সূরা - আল ফাতিহা _ বাংলা অনুবাদ সহ  Link - https://youtu.be/kXc8g8K1Fdw
Image
ছয়টি কাজ করলে পাওয়া যাবে জান্নাত     হযরত আবু হুরাইরা (রা:) রাসুল (সা:) থেকে বর্ণনা করেছেন, একদিন রাসূল সা. এর কাছে আসা উপস্থিত লোকদের উদ্দেশ্যে তিনি বললেন, তোমরা যদি আমাকে ছয়টি জিনিসের বিষয়ে কথা দাও, আমি তোমাদের জন্য জান্নাতের জিম্মাদার হবো।         সাহাবারা বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! সেই ছয়টি জিনিস কি কি? জবাবে আল্লাহর রাসুল বলেন, ১. নামাজ ২.যাকাত ৩.আমানত ৪. লজ্জাস্থান ৫. পেট ও ৬.যবান       বেহেশতী লোকের ছয়টি কাজ             সাহাবী হযরত জাবির (রা:) বর্ণনা করেন, রাসুর (সা:) বলেছেন: তিনটি জিনিস যে ব্যক্তির মধ্যে পাওয়া যাবে, কিয়ামতের দিন আললাহতায়ালা তাকে নিজ হিফাজতে গ্রহন করবেন এবং তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। সেই তিনটি জিনিস হলো-       ১. দুর্বলদের প্রতি কোমল ব্যবহার।     ২. মাতা-পিতার প্রতি কোমল ব্যবহার। ৩. কর্মচারী ও খাদেমদের সাথে উত্তম ব্যবহার। আর তিনটি এমন গুণ আছে যা কোন ব্যক্তির মধ্যে পাওয়া গেলে আললাহ তায়ালা তাকে নিজ আরশের ছায়ায় স্থান দেবেন...
Image
বিশ্ব নবী হযরত মোহাম্মদ সা. এর বাণী আমাদের জীবনের জন্য পাথেয় হয়ে আছে। তিনি আজীবন মানব কল্যাণে কাজ করে গেছেন। তার প্রতিটি কথা এবং কাজ আমাদের জন্য অমূল্য রতন স্বরুপ। যারা এ অমূল্য বাণীকে ধারণ করতে পেরেছে তারা ইহকাল এবং পরকাল দুই জীবনেই সফল কাম হয়েছে। নিম্নে তার কিছু বাণী তুলে ধরা হলো-    তিনব্যক্তি পাবে দ্বিগুন পুরষ্কার হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর সবচেয়ে বেশি হাদিস বর্ণনা কারী সাহাবী হযরত আবু হুরাইরা (রা:) বর্ণনা করেছেন, রাসুল  (সা:) বলেন, তিন প্রকার লোক দ্বিগুন পুরষ্কার পাবে-     (১) সেই আহলে কিতাব, (যাদের উপর আসমানী কিতাব অবতীর্ণ হয়েছে) যে নিজের নবীর প্রতি ঈমান এনেছে (বিশ্বাস স্থাপন করেছে), তারপর আবার মুহাম্মদ (সা:) এর  প্রতিও  ঈমান এনেছে (বিশ্বাস স্থাপন করেছে)।   (২) সেই গোলাম যে আল্লাহর হক আদায় করে এবং নিজের মনিবের হক ও আদায় করে।   (৩) সেই ব্যক্তি যার কোন দাসী থাকলে সে তাকে উত্তম শিক্ষাদান করে, তারপর তাকে মুক্তকরে বিবাহ করে। সে ও দ্বিগুন পুরষ্কার পাবে। (বুখারী ও মুসলিম) 
Image
Allah is the Lord of the worlds